আলিয়া মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
ছবক আলিয়া মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার দিয়ে ইবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল, প্রতিটি স্তরের ছাত্র তথ্য, হাজিরা, বেতন ও ফলাফল এক সিস্টেমে রাখুন। সম্পূর্ণ বাংলায়, মাসিক মাত্র ৫০০ টাকায়, আগে ফ্রি ডেমো দেখে তারপর সিদ্ধান্ত।

আলিয়া মাদ্রাসার কাজগুলো যেভাবে সহজ হয়
আলিয়া মাদ্রাসায় শ্রেণির সংখ্যা বেশি, বিষয় বেশি এবং রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কাগজপত্রও বেশি। একই ছাত্রের তথ্য ভর্তি খাতায়, হাজিরা খাতায়, বেতনের রেজিস্টারে ও রেজাল্ট শিটে আলাদা আলাদা করে লিখতে হয়, এবং বছর শেষে মিলাতে গিয়ে অমিল বের হয়। সব তথ্য এক জায়গায় থাকলে শিক্ষকদের সময় বাঁচে, ভুল কমে এবং অধ্যক্ষ বা সুপার সাহেব যেকোনো সময় পুরো চিত্র দেখতে পারেন।
শ্রেণি ও শাখা
ইবতেদায়ি থেকে কামিল পর্যন্ত শ্রেণি, শাখা ও গ্রুপ অনুযায়ী ছাত্র ব্যবস্থাপনা।
ফলাফল
নম্বর এন্ট্রি থেকে মার্কশিট, জিপিএ, মেধাতালিকা ও প্রগ্রেস রিপোর্ট।
বেতন ও ফি
মাসিক বেতন, পরীক্ষা ফি, বকেয়া তালিকা ও রশিদ প্রিন্ট।
হাজিরা
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর হাজিরা, বায়োমেট্রিক মেশিন সাপোর্ট সহ।
অভিভাবক যোগাযোগ
এসএমএস ও অ্যাপে ফলাফল, হাজিরা ও নোটিশ পাঠানো।
হিসাব
আয়-ব্যয়, শিক্ষকের বেতন ও মাসিক ব্যালেন্স শিট।
স্তর অনুযায়ী যেভাবে সাজানো যায়
আলিয়া মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারে শ্রেণি, বিষয় ও ফি কাঠামো আপনার মাদ্রাসার মতো করে সাজানো যায়। নিচে একটি সাধারণ নমুনা দেওয়া হলো:
| স্তর | সফটওয়্যারে যা রাখা যায় |
|---|---|
| ইবতেদায়ি | শ্রেণিভিত্তিক ছাত্র তালিকা, দৈনিক হাজিরা, মাসিক বেতন, অভিভাবককে অনুপস্থিতির এসএমএস |
| দাখিল | বিষয়ভিত্তিক নম্বর এন্ট্রি, মার্কশিট ও জিপিএ, পরীক্ষা ফি, বকেয়া তালিকা, আইডি কার্ড |
| আলিম | গ্রুপ অনুযায়ী বিষয় নির্ধারণ, মেধাতালিকা, প্রগ্রেস রিপোর্ট, প্রশংসাপত্র প্রিন্ট |
| ফাজিল ও কামিল | বিভাগ অনুযায়ী ছাত্র তালিকা, সেমিস্টার বা বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল, ফি ও বকেয়া |
| সব স্তরে একসাথে | শিক্ষক প্রোফাইল ও বেতন, আয়-ব্যয়ের খাত, শিফট ও শাখা, রিপোর্ট, ব্যবহারকারীর অনুমতি |
রেজিস্ট্রেশন বা ফরম পূরণের সময় ছাত্রের নাম, পিতা-মাতার নাম, জন্মতারিখ ও ঠিকানা সফটওয়্যারের প্রোফাইল থেকে এক জায়গায় পাওয়া যায়, ফলে বারবার খাতা খুঁজতে হয় না। শ্রেণিভিত্তিক তালিকা প্রিন্ট করে সরাসরি কাজে লাগানো যায়।
এই সফটওয়্যার কাদের জন্য
- অধ্যক্ষ ও সুপার: পুরো মাদ্রাসার উপস্থিতি, আদায় ও হিসাবের সারসংক্ষেপ অ্যাপেই দেখা।
- অফিস সহকারী: ভর্তি, বেতন আদায়, রশিদ ও রিপোর্ট প্রিন্ট।
- শ্রেণি শিক্ষক: হাজিরা ও নম্বর এন্ট্রি, কম্পিউটার বা মোবাইল অ্যাপ থেকে।
- হিসাবরক্ষক: খাতভিত্তিক আয়-ব্যয়, শিক্ষকের বেতন ও মাস শেষের ব্যালেন্স।
- অভিভাবক: সন্তানের হাজিরা, ফলাফল, বেতন ও নোটিশ মোবাইলে। অ্যাপ সম্পর্কে জানুন
প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা আইডি ও অনুমতি ঠিক করে দেওয়া যায়, ফলে শিক্ষক শুধু নিজের শ্রেণির কাজ দেখেন আর হিসাবের অংশ থাকে হিসাবরক্ষক ও অধ্যক্ষের হাতে। কে কখন কোন এন্ট্রি করলেন তা রেকর্ডে থাকে, তাই দায়িত্ব বণ্টন স্পষ্ট হয় এবং পরে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে সহজেই মিলিয়ে দেখা যায়।
কীভাবে শুরু করবেন
- ফ্রি ডেমো নিন; আপনার মাদ্রাসার স্তর ও শ্রেণিগুলো বলুন, সেভাবেই দেখানো হবে।
- মাসিক ৫০০, বাৎসরিক ৫,০০০ বা এককালীন ২০,০০০ টাকার প্যাকেজ বেছে নিন। দামের পেজ
- মাদ্রাসার নামে সাবডোমেইন খোলা হয়, শ্রেণি, বিষয় ও ফি কাঠামো সাজানো হয়। ইনস্টলেশন ফি একবার: ২,০০০ টাকা (২০০ ছাত্রের নিচে) বা ৫,০০০ টাকা।
- পুরনো ছাত্র তালিকা তোলা হয় এবং অফিস ও শিক্ষকদের ট্রেনিং দেওয়া হয়।
- অভিভাবকদের অ্যাপের আইডি দেওয়া হয়; চাইলে এসএমএস প্যাকেজ ও ZKTeco মেশিন যুক্ত করা যায়।
কেন বাংলায় হওয়া জরুরি
অনেক স্কুল ERP ইংরেজিপ্রধান, ফলে অফিস সহকারী ও শিক্ষকরা কিছুদিন পর ব্যবহার ছেড়ে দেন। ছবকে মেনু, রিপোর্ট, রশিদ ও মার্কশিট সব বাংলায়, হিসাব টাকায় এবং সাপোর্টও বাংলায় ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে। প্রতিটি কাজের বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল টিউটোরিয়াল পেজে আছে, তাই নতুন শিক্ষক যোগ দিলেও নিজে দেখে শিখে নিতে পারেন। আলিয়া মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বাছাইয়ের আগে অন্য সমাধানগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখতে চাইলে তুলনার পেজ পড়ুন।
নিজের মাদ্রাসার তথ্য দিয়ে দেখে নিন
ফ্রি ডেমোতে আপনার শ্রেণি ও বিষয় দিয়ে মার্কশিট বানিয়ে দেখানো হয়।