English: Read this page in English

মাদ্রাসার ওয়েবসাইট ডিজাইন

মাদ্রাসার ওয়েবসাইট থাকলে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, ফলাফল, শিক্ষক পরিচিতি ও দানের আবেদন সব এক ঠিকানায় থাকে। কোন পেজগুলো আসলে লাগে, কোনগুলো লাগে না, কী কী তথ্য আগে গুছিয়ে রাখতে হয় আর চালু হওয়ার পর কে হালনাগাদ করবে, পুরোটা এখানে দেওয়া আছে। ছবক মাদ্রাসার নামে বাংলা ওয়েবসাইট বানিয়ে দেয়; ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের সাথে একসাথে নিলে সুবিধা বেশি।

মাদ্রাসার ওয়েবসাইট: ছবক দিয়ে বানানো একটি মাদ্রাসার ওয়েবসাইটের নমুনা

মাদ্রাসার ওয়েবসাইট আসলে কার জন্য?

তিন ধরনের মানুষ একটি মাদ্রাসার ওয়েবসাইটে আসেন, এবং তাঁদের চাহিদাই বাকি সব সিদ্ধান্ত ঠিক করে দেয়। প্রথমজন বর্তমান অভিভাবক, যিনি নোটিশ, ছুটি ও ফলাফল খোঁজেন। দ্বিতীয়জন নতুন ভর্তিচ্ছু পরিবার, যিনি বিভাগ, বয়স, ফি ও আবাসিক ব্যবস্থা জানতে চান। তৃতীয়জন দাতা ও কমিটির সদস্য, যিনি মাদ্রাসাটি আসল কি না এবং টাকা কোথায় যাচ্ছে তা বুঝতে চান।

এই তিনজনের বাইরে চতুর্থ কোনো পাঠক সাধারণত থাকেন না। তাই যে পেজ এই তিনজনের কারও কাজে লাগে না, সেটি না বানানোই ভালো। প্রতিটি পেজের সামনে প্রশ্নটা রাখুন: এই পেজটা এই তিনজনের কার জন্য?

যে সাতটি পেজ প্রায় প্রতিটি মাদ্রাসার ওয়েবসাইটে লাগে

নিচের সাতটি পেজ দিয়েই বেশিরভাগ মাদ্রাসার কাজ চলে যায়। প্রতিটির পাশে লেখা আছে সেখানে কোন তথ্যটা থাকতেই হবে, কারণ পেজ থাকলেও তথ্য না থাকলে পাঠক ফোনই করবেন।

  • হোম: মাদ্রাসার পূর্ণ নাম, এক লাইনে পরিচয়, ফোন নম্বর ও চলতি নোটিশ
  • পরিচিতি ও ইতিহাস: প্রতিষ্ঠাকাল, লক্ষ্য, মুহতামিম বা অধ্যক্ষের বাণী, বোর্ড বা নিবন্ধনের তথ্য
  • বিভাগ ও জামাত: কোন বিভাগে কোন শ্রেণি পড়ানো হয়, ভর্তির বয়স ও আবাসিক ব্যবস্থা আছে কি না
  • ভর্তি তথ্য: ভর্তির সময়, যোগ্যতা, কী কাগজ লাগবে, ফি এবং আবেদনের নিয়ম
  • নোটিশ: ছুটি, পরীক্ষা ও অনুষ্ঠানের ঘোষণা, তারিখসহ
  • ফলাফল: পরীক্ষার ফল কোথায় ও কবে প্রকাশ হয়, কীভাবে দেখতে হয়
  • যোগাযোগ ও অবস্থান: ঠিকানা, ফোন, মানচিত্র এবং অফিস খোলা থাকার সময়

পেজগুলো আপনার মাদ্রাসার প্রয়োজন অনুযায়ী কমবেশি করা যায়। ছোট হিফজখানার জন্য পরিচিতি, যোগাযোগ ও দানের পেজই যথেষ্ট; বড় কওমি বা আলিয়া মাদ্রাসার জন্য বিভাগওয়ারি পেজ, শিক্ষক পরিচিতি, ফলাফল ও ভর্তির আলাদা অংশ রাখা হয়।

যে পেজগুলো সাধারণত দরকার হয় না

ওয়েবসাইট বড় করার চেয়ে চালু রাখা কঠিন। যে পেজ কেউ হালনাগাদ করবে না, সেটি ছয় মাস পরে মাদ্রাসার ক্ষতি করে, কারণ পুরনো তারিখ দেখে পাঠক ভাবেন প্রতিষ্ঠানটি অচল।

  • ব্লগ, যদি কেউ লিখবে না: শেষ লেখার তারিখ দুই বছর আগের হলে না থাকাই ভালো
  • ভারী ছবির গ্যালারি: মোবাইল ডাটায় ধীরে খোলে, দশটি বাছাই করা ছবিই যথেষ্ট
  • রক্ষণাবেক্ষণহীন ইংরেজি সংস্করণ: অর্ধেক অনুবাদ করা সাইট আস্থা কমায়
  • কেউ ব্যবহার করে না এমন লগইন প্যানেল: লগইনের কাজ সফটওয়্যারে, প্রকাশ্য সাইটে শুধু লিংক থাকলেই হয়
  • ব্যাংক হিসাবের পূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে: দানের আগ্রহীকে যোগাযোগ করতে বলুন, পুরো হিসাব নম্বর খোলা পাতায় না রাখাই নিরাপদ

মাদ্রাসার ওয়েবসাইট কেন দরকার

দূরের অভিভাবক ও প্রবাসী দাতা

মাদ্রাসার খবর, ছবি ও প্রয়োজন দেখে দূর থেকেও যুক্ত থাকতে পারেন, দানের আবেদন পেজ থেকে যোগাযোগ করতে পারেন।

ভর্তি মৌসুম

ভর্তির তারিখ, যোগ্যতা, ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একবার লিখলে বারবার ফোনে বলতে হয় না।

ফলাফল ও নোটিশ

পরীক্ষার ফলাফল, ছুটির নোটিশ ও অনুষ্ঠানের খবর এক জায়গায়, সবাই একই তথ্য দেখে।

বিশ্বাসযোগ্যতা

নিজস্ব ঠিকানায় পরিচিতি, শিক্ষক তালিকা ও যোগাযোগের তথ্য থাকলে নতুন অভিভাবক ও দাতারা সহজে আস্থা রাখতে পারেন।

সফটওয়্যারের সাবডোমেইন আর পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট: পার্থক্য কী

ছবকের সফটওয়্যার প্যাকেজেই মাদ্রাসার নামে একটি সাবডোমেইন ও হোস্টিং থাকে, যেখানে লগইন করে মাদ্রাসা পরিচালনা করা হয়। আর মাদ্রাসার ওয়েবসাইট হলো সবার জন্য উন্মুক্ত প্রকাশ্য পেজ, যা লগইন ছাড়াই যে কেউ দেখতে পারেন। দুটির কাজ আলাদা, তাই প্যাকেজও আলাদা।

বিষয় সফটওয়্যারের সাবডোমেইন পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট
উদ্দেশ্য লগইন করে ভর্তি, হাজিরা, বেতন, হিসাব, ফলাফল পরিচালনা মাদ্রাসার পরিচিতি, ভর্তি, নোটিশ, ফলাফল ও দানের আবেদন প্রকাশ
কে দেখেন অফিস, শিক্ষক ও অভিভাবক (আইডি দিয়ে) যে কেউ, ইন্টারনেটে খুঁজে বা লিঙ্ক থেকে
ঠিকানা মাদ্রাসার নামে সাবডোমেইন মাদ্রাসার নিজস্ব ডোমেইনে নেওয়া যায়
খরচ সফটওয়্যার প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত আলাদা প্যাকেজ, হোয়াটসঅ্যাপে জেনে নিন
একসাথে নিলে একই প্রতিষ্ঠান থেকে সফটওয়্যার, অ্যাপ, ওয়েবসাইট ও সাপোর্ট, সব এক জায়গায়

ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে ভর্তির আবেদন

অভিভাবক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকেই সন্তানের ভর্তির আবেদন পাঠাতে পারেন। আবেদনগুলো সফটওয়্যারের অপেক্ষমাণ তালিকায় জমা হয়। নাম, পিতা মাতা, জন্ম তারিখ, ছবি ও পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠান দেখে অনুমোদন দিলে শিক্ষার্থী তালিকায় যুক্ত হয়ে যায়, আলাদা করে ফর্ম তোলার দরকার হয় না।

  • ভর্তির মৌসুমে অফিসে ভিড় কমে।
  • দূরের অভিভাবকও আগে আবেদন করে রাখতে পারেন।
  • কাগজের ফর্ম হারানোর ঝুঁকি থাকে না।
  • অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীর প্রোফাইল তৈরি হয়ে যায়।

ওয়েবসাইট বানানোর ধাপ

  1. হোয়াটসঅ্যাপ বা ফোনে যোগাযোগ করে জানান ওয়েবসাইটে কী কী পেজ চান।
  2. মাদ্রাসার নাম, লোগো, ছবি, পরিচিতি, শিক্ষক তালিকা ও যোগাযোগের তথ্য পাঠান।
  3. ডিজাইন ও বাংলা কন্টেন্ট বসিয়ে আপনাকে দেখানো হয়, সংশোধন থাকলে জানান।
  4. নিজস্ব ডোমেইন চাইলে তা যুক্ত করা হয়।
  5. ওয়েবসাইট চালু হয়; পরে নোটিশ ও ফলাফল কীভাবে হালনাগাদ হবে তা যোগাযোগের সময়ই জেনে নিন।

ওয়েবসাইট চালু হওয়ার পর গুগলে মাদ্রাসার নাম লিখে খুঁজলে যেন পাওয়া যায়, সেজন্য পরিচিতি, ঠিকানা ও ফোন নম্বর স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। মাদ্রাসার ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল থাকলে তার লিঙ্কও যুক্ত করা যায়।

কী কী তথ্য প্রস্তুত রাখবেন

মাদ্রাসার ওয়েবসাইট দ্রুত তৈরি হয় যখন তথ্যগুলো আগে থেকে গোছানো থাকে। নিচের তালিকা ধরে প্রস্তুত করুন:

  • মাদ্রাসার পূর্ণ নাম, প্রতিষ্ঠাকাল, ঠিকানা ও ফোন নম্বর
  • লোগো ও মাদ্রাসার কয়েকটি ভালো ছবি
  • মুহতামিম বা অধ্যক্ষের বাণী ও ছবি
  • বিভাগ, শ্রেণি ও শিক্ষকদের তালিকা
  • ভর্তির নিয়ম, সময় ও ফি
  • দান গ্রহণের ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য (যদি প্রকাশ করতে চান)
  • নিজস্ব ডোমেইন থাকলে তার তথ্য

ওয়েবসাইট চালু হওয়ার পর কে হালনাগাদ করবে?

এখানেই বেশিরভাগ মাদ্রাসার ওয়েবসাইট মারা যায়। ডিজাইন যত সুন্দরই হোক, নোটিশ আর ফলাফল না উঠলে ছয় মাস পরে সাইটটি আর কেউ খোলে না। তাই চালু করার আগেই তিনটি জিনিস লিখিতভাবে ঠিক করে নিন।

এক, দায়িত্ব কার। একজন শিক্ষক বা অফিস সহকারীর নাম ঠিক করুন, দুজন নয়, কারণ দুজন থাকলে কেউই করেন না। দুই, কত দিনের মধ্যে। নোটিশ একই দিনে, ফলাফল প্রকাশের দিনেই, আর পরিচিতি বছরে একবার, এমন একটা নিয়ম যথেষ্ট। তিন, পাসওয়ার্ড কার কাছে থাকবে এবং তিনি চলে গেলে কে পাবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বদলালে পাসওয়ার্ড হস্তান্তরের কাজটি একই দিনে সেরে ফেলুন।

নিজের মাদ্রাসার ওয়েবসাইট পরিকল্পনার ছক

কাজ শুরু করার আগে নিচের ছকটি একবার পূরণ করে নিলে ডিজাইনারের সাথে কথা বলা সহজ হয়, আর পরে কোন পেজ কে দেখবে তা নিয়ে দ্বিধা থাকে না।

পেজ যে তথ্য লাগবে কে দেবে কত দিনে হালনাগাদ
হোম নাম, এক লাইনের পরিচয়, ফোন, চলতি নোটিশ অফিস নোটিশ এলেই
পরিচিতি ও ইতিহাস প্রতিষ্ঠাকাল, বাণী, নিবন্ধনের তথ্য মুহতামিম বছরে একবার
বিভাগ ও জামাত শ্রেণি তালিকা, ভর্তির বয়স, আবাসিক শিক্ষা সচিব বছরে একবার
ভর্তি তথ্য সময়, যোগ্যতা, কাগজ, ফি অফিস ভর্তি মৌসুমে
নোটিশ ঘোষণা ও তারিখ অফিস একই দিনে
ফলাফল পরীক্ষার নাম ও ফল প্রকাশের নিয়ম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ফল প্রকাশের দিনে
যোগাযোগ ঠিকানা, ফোন, মানচিত্র, অফিসের সময় অফিস বদল হলে

সফটওয়্যার ও মাদ্রাসার ওয়েবসাইট একসাথে নিলে যা পাবেন

  • একই প্রতিষ্ঠান থেকে সফটওয়্যার, অভিভাবক অ্যাপ ও ওয়েবসাইট, সাপোর্টের জন্য একটি নম্বরই যথেষ্ট
  • মাদ্রাসার পরিচিতি ও লোগো সফটওয়্যার, আইডি কার্ড, রশিদ ও ওয়েবসাইটে একই রকম থাকে
  • অভিভাবক ওয়েবসাইটে মাদ্রাসাকে চেনেন, আর অ্যাপে সন্তানের হাজিরা, বেতন ও ফলাফল দেখেন
  • দানের আবেদন ওয়েবসাইটে, আর দাতার হিসাব ও রশিদ সফটওয়্যারে
  • বাংলায় ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ সাপোর্ট, দুটির জন্যই

ভর্তি ও দানের পেজ কীভাবে কাজে লাগে

ভর্তির সময় অভিভাবকরা সবচেয়ে বেশি জানতে চান কোন বিভাগে কত বছর বয়সে ভর্তি নেওয়া হয়, কী কাগজ লাগে, ফি কত এবং আবাসিক ব্যবস্থা আছে কিনা। এই তথ্যগুলো ওয়েবসাইটে থাকলে অফিসে ফোন কম আসে এবং আগ্রহী অভিভাবক অনলাইনে আবেদন করে রাখতে পারেন। দানের পেজে মাদ্রাসার প্রয়োজন, এতিম ও অস্বচ্ছল ছাত্রদের খরচ এবং দান পাঠানোর নিয়ম লেখা থাকলে দূরের ও প্রবাসী দাতারা সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। দান পাওয়ার পর সফটওয়্যারে দাতার নামে রশিদ কাটা যায়, ফলে হিসাব স্বচ্ছ থাকে। কোন মাদ্রাসাগুলো ইতিমধ্যে ছবক ব্যবহার করছে তা মাদ্রাসা তালিকায় দেখতে পারেন।

মাদ্রাসার ওয়েবসাইট বানাতে খরচ কত

ছবকের সফটওয়্যার গ্রাহক হলে মাদ্রাসার ওয়েবসাইটে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড় পান; বিস্তারিত বিশেষ অফার পেজে। ওয়েবসাইটের সাথে ডোমেইন, হোস্টিং, বাংলা কন্টেন্ট সেটআপ ও পরবর্তী সাপোর্ট থাকে। সঠিক খরচ নির্ভর করে কতগুলো পেজ ও কোন ফিচার লাগবে তার উপর, তাই ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে বললে আমরা হিসাব করে জানাই।

নমুনা ওয়েবসাইট দেখুন

যেসব প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে ছবকের বানানো ওয়েবসাইট ব্যবহার করছে, তাদের তালিকা ও সরাসরি লিংক দেখতে ওয়েবসাইট গ্রাহক পেজ দেখুন। কেউ কেউ “মাদরাসার ওয়েবসাইট” বানানেও খোঁজেন, দুটো একই সেবা।

নমুনা দেখে নিন

অনেক মাদ্রাসা ইতিমধ্যেই আমাদের তৈরি ওয়েবসাইট ব্যবহার করছে।

মাদ্রাসার ওয়েবসাইট নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

মাদ্রাসার ওয়েবসাইটে কী কী পেজ থাকা দরকার?
সাতটি পেজ দিয়েই বেশিরভাগ মাদ্রাসার কাজ চলে: হোম, পরিচিতি ও ইতিহাস, বিভাগ ও জামাত, ভর্তি তথ্য, নোটিশ, ফলাফল এবং যোগাযোগ ও অবস্থান। এর বাইরের পেজ তখনই বানাবেন যখন সেটি নিয়মিত হালনাগাদ করার লোক আছে।
ওয়েবসাইট আর মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কি একই জিনিস?
না। সফটওয়্যার হলো লগইন করে ভর্তি, হাজিরা, বেতন ও হিসাব পরিচালনার জায়গা, যা প্যাকেজের সাথেই একটি সাবডোমেইনে থাকে। ওয়েবসাইট হলো সবার জন্য উন্মুক্ত প্রকাশ্য পেজ। দুটির কাজ আলাদা, তবে একসাথে নিলে নোটিশ ও ফলাফল একবার লিখলেই দুই জায়গায় থাকে।
ওয়েবসাইট থেকে কি ভর্তির আবেদন নেওয়া যায়?
হ্যাঁ। অভিভাবক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন পাঠালে তা সফটওয়্যারের অপেক্ষমাণ তালিকায় জমা হয়, আর অনুমোদন দিলে শিক্ষার্থী তালিকায় যুক্ত হয়ে যায়।
ওয়েবসাইট চালু হওয়ার পর কে হালনাগাদ করবে?
চালু করার আগেই একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ঠিক করে নিন, দুজন নয়। নোটিশ একই দিনে, ফলাফল প্রকাশের দিনে আর পরিচিতি বছরে একবার হালনাগাদ হলেই যথেষ্ট। পাসওয়ার্ড কার কাছে থাকবে সেটিও আগে ঠিক করুন।
সফটওয়্যার নিলে কি ওয়েবসাইট ফ্রি?
সফটওয়্যারের সাথে মাদ্রাসার নিজস্ব সাবডোমেইন ও হোস্টিং দেওয়া হয়। পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইটের প্যাকেজ আলাদা, একসাথে নিলে সুবিধা পাবেন। হোয়াটসঅ্যাপে জানতে চান।
ডোমেইন নিজের নামে নেওয়া যাবে?
হ্যাঁ, মাদ্রাসার নিজস্ব ডোমেইনে ওয়েবসাইট বানানো যায়।
ওয়েবসাইটের দাম কত?
পেজের সংখ্যা ও চাহিদা অনুযায়ী প্যাকেজ ঠিক হয়, তাই এখানে একটি নির্দিষ্ট দাম লেখা নেই। হোয়াটসঅ্যাপে কী কী পেজ চান জানালে সরাসরি দাম বলে দেওয়া হয়। সফটওয়্যারের দাম দামের পেজে আছে।
ওয়েবসাইট কি বাংলায় হবে?
হ্যাঁ। মেনু, পেজ ও নোটিশ সব বাংলায় হয়। প্রয়োজনে আরবি বা ইংরেজি লেখাও বসানো যায়।
আগে বানানো ওয়েবসাইটগুলো কোথায় দেখব?
ওয়েবসাইট গ্রাহক পেজে আমাদের তৈরি মাদ্রাসা ওয়েবসাইটগুলোর তালিকা আছে, সেখান থেকে সরাসরি ঘুরে দেখতে পারেন।
ওয়েবসাইটে কি ছবক অ্যাপ ও লগইন লিঙ্ক রাখা যাবে?
হ্যাঁ। অভিভাবকদের সুবিধার জন্য ওয়েবসাইটে অ্যাপ ডাউনলোড ও সফটওয়্যারে লগইনের লিঙ্ক রাখা যায়, ফলে এক ঠিকানা থেকেই সব পাওয়া যায়।
কল করুন হোয়াটসঅ্যাপ ফ্রি ডেমো