আইডি কার্ড ও প্রিন্ট ডিজাইন
ছবক মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের তথ্য থেকেই ছাত্রের আইডি কার্ড, প্রশংসাপত্র, রশিদ ও রিপোর্ট প্রিন্ট করা যায়। প্রতিটি ডিজাইন আগে থেকেই তৈরি থাকে, ফলে আলাদা করে কম্পিউটারের দোকানে ছুটতে হয় না।

প্রিন্টের কাজে সময় ও টাকা কেন নষ্ট হয়?
বছরের শুরুতে আইডি কার্ড, পরীক্ষার পর প্রশংসাপত্র, প্রতি মাসে রশিদ আর মিটিংয়ের আগে রিপোর্ট। প্রতিবার এই কাগজগুলো নতুন করে সাজাতে হলে সময় নষ্ট হয় এবং প্রতিবার ডিজাইন একরকম হয় না। নাম বা শ্রেণি হাতে টাইপ করতে গিয়ে ভুলও হয়।
ছবকে ছাত্রের নাম, পিতার নাম, শ্রেণি, রোল, ছবি ও ঠিকানা আগে থেকেই সিস্টেমে থাকে। তাই প্রিন্টের সময় শুধু শ্রেণি বেছে নিলেই সবার কার্ড বা সনদ একসাথে তৈরি হয়। তথ্য এক জায়গা থেকে আসে বলে ভুল হয় না।
কোন কোন ডিজাইন পাওয়া যায়?
ছাত্রের আইডি কার্ড
নাম, শ্রেণি, রোল, ছবি ও মাদ্রাসার লোগো সহ পরিষ্কার ডিজাইন।
শিক্ষকের আইডি কার্ড
শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্যও আলাদা ডিজাইন করা যায়।
প্রশংসাপত্র
পরীক্ষার ফল থেকেই পুরস্কার ও প্রশংসাপত্র তৈরি হয়।
টাকা আদায়ের রশিদ
বেতন, চাঁদা ও দানের রশিদ মাদ্রাসার নাম সহ প্রিন্ট হয়।
মার্কশিট
পরীক্ষার মার্কশিট এক শ্রেণির সবার একসাথে প্রিন্ট করা যায়।
রিপোর্টের লেআউট
হাজিরা, বকেয়া ও আয় ব্যয়ের রিপোর্ট ছাপার মতো গোছানো থাকে।
RFID আইডি কার্ড কী, খরচ কত?
সাধারণ কাগজের কার্ডের পাশাপাশি চাইলে RFID আইডি কার্ডও নেওয়া যায়। এই কার্ডে একটি চিপ থাকে, ফলে কার্ডটি শুধু পরিচয়পত্র হিসেবে নয়, বায়োমেট্রিক সিস্টেমের সাথেও কাজে লাগানো যায়।
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| RFID আইডি কার্ড | প্রতিটি ১৫০ টাকা |
| সর্বনিম্ন পরিমাণ | ১৫০ জন ছাত্রের কার্ড |
| ডিজাইন | মাদ্রাসার নাম ও লোগো সহ তৈরি করে দেওয়া হয় |
| সফটওয়্যারের মূল্যের মধ্যে | না, এটি অতিরিক্ত ও ঐচ্ছিক |
কার্ড বা সনদ প্রিন্ট করার ধাপ
- ছাত্রের তথ্য ও ছবি সফটওয়্যারে তোলা হয়।
- কোন শ্রেণি বা কোন ছাত্রদের লাগবে তা বেছে নেওয়া হয়।
- ডিজাইন দেখে নিশ্চিত করা হয়।
- প্রিন্ট দিলেই সবার কপি একসাথে বের হয়।
- একজন ছাত্রের কার্ড হারালে শুধু তারটি আবার প্রিন্ট করা যায়।
- নতুন ভর্তি হওয়া ছাত্রের কার্ড যেকোনো সময় যোগ করা যায়।
- পুরনো ছাত্রের সনদ পরেও বের করা যায়।
- একাধিক শাখা থাকলে শাখার নামও কার্ডে দেওয়া যায়।
নমুনা ডিজাইন দেখতে চান?
হোয়াটসঅ্যাপে বলুন, আইডি কার্ড ও রশিদের নমুনা পাঠিয়ে দেব।
আইডি কার্ড থাকলে মাদ্রাসার কী লাভ?
আইডি কার্ড শুধু দেখতে সুন্দর লাগার জন্য নয়। ছাত্র মাদ্রাসার বাইরে গেলে পরিচয় দেওয়া সহজ হয়, কোনো দুর্ঘটনা হলে কার্ডে থাকা নম্বরে সাথে সাথে যোগাযোগ করা যায়, আর পরীক্ষা বা বার্ষিক অনুষ্ঠানে বাইরের মানুষ ঢুকে পড়ার সুযোগ কমে। অভিভাবকরাও মনে করেন প্রতিষ্ঠানটি গোছালো।
একইভাবে রশিদ ও প্রশংসাপত্রের ডিজাইন একরকম হলে মাদ্রাসার একটি নিজস্ব পরিচয় তৈরি হয়। দাতা বা কমিটির হাতে যে কাগজ যায় সেটি পরিষ্কার ও একরকম হলে আস্থা বাড়ে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, নতুন করে ডিজাইন করাতে বা বাইরের কারও ওপর নির্ভর করতে হয় না, অফিসে বসেই প্রয়োজনীয় সব কাগজ বের করা যায়।
কাগজের কাজ গোছালো রাখার কয়েকটি পরামর্শ
বছরের শুরুতে ভর্তি শেষ হওয়ার সাথে সাথে ছবি ও তথ্য তুলে ফেললে একসাথে সব কার্ড প্রিন্ট করা যায়। পরীক্ষার আগে মার্কশিটের ডিজাইন একবার দেখে নিলে ফলাফলের দিন তাড়াহুড়া হয় না। রশিদ বই শেষ হয়ে যাওয়ার ভয়ও থাকে না, কারণ প্রয়োজনমতো প্রিন্ট করা যায়। এই ছোট অভ্যাসগুলো বছরজুড়ে অফিসের অনেক সময় বাঁচায়।
কোন অংশ থেকে তথ্য আসে?
আইডি কার্ডের তথ্য আসে ছাত্রের প্রোফাইল থেকে, রশিদ আসে বেতন ও চাঁদা আদায় অংশ থেকে, আর মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র আসে পরীক্ষা ও রেজাল্ট অংশ থেকে। RFID কার্ড ব্যবহার করলে হাজিরা ও বায়োমেট্রিক অংশের সাথেও মিলিয়ে নেওয়া যায়।
সব সুবিধা একসাথে দেখতে ফিচার পাতা দেখুন। সফটওয়্যারের খরচ ও ইনস্টলেশন ফি জানতে প্রাইসিং পাতা, আর মাদ্রাসার নিজস্ব ওয়েবসাইট চাইলে মাদ্রাসা ওয়েবসাইট পাতা দেখুন।