মাল্টি ব্রাঞ্চ বা শাখা ব্যবস্থাপনা
একাধিক শাখা বা ক্যাম্পাস এক সফটওয়্যার থেকেই চালানো যায়। উপরের শাখা সুইচার দিয়ে যেকোনো শাখায় গেলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী, হাজিরা ও হিসাব সব নিজে থেকেই সেই শাখার হয়ে যায়।
এক নজরে
মাল্টি ব্রাঞ্চে কী কী পাবেন, সংক্ষেপে।
- এক লগইনে সব শাখা, উপরের সুইচার দিয়ে
- শাখাওয়ারি হিসাব, আয় ব্যয় ও বকেয়া আলাদা
- ব্যবহারকারী বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট শাখায়
- নতুন শাখায় শ্রেণি ও বিষয় নিজে থেকেই যোগ হয়
একাধিক শাখা হলে সমস্যা কোথায়?
অনেক প্রতিষ্ঠান প্রতিটি শাখার জন্য আলাদা খাতা বা আলাদা সফটওয়্যার চালান। ফলে প্রধান অফিসে বসে পুরো প্রতিষ্ঠানের ছবি দেখা যায় না, আর রিপোর্ট মিলাতে মাস পেরিয়ে যায়।
মাল্টি ব্রাঞ্চে কী কী আছে?
শাখা সুইচার
উপরের তালিকা থেকে শাখা বদল করলেই পুরো সফটওয়্যার সেই শাখার তথ্য দেখায়।
শাখাওয়ারি হিসাব
প্রতিটি শাখার আয়, ব্যয় ও বকেয়া আলাদাভাবে থাকে।
ব্যবহারকারী বেঁধে দেওয়া
একজন কর্মীকে নির্দিষ্ট শাখায় বেঁধে দেওয়া যায়, তিনি অন্য শাখার তথ্য দেখেন না।
নতুন শাখা
নতুন শাখা খুললে শ্রেণি ও বিষয়ের কাঠামো নিজে থেকেই যোগ হয়ে যায়।
কয়টি শাখা চালান?
শাখাগুলোর নাম ও শিক্ষার্থী সংখ্যা বলুন, সেইভাবে সাজিয়ে ডেমোতে দেখিয়ে দেব।
সব ফিচার এক দামে, ফিচার অনুযায়ী আলাদা টাকা নেই
ছবকে কোনো ফিচার আলাদা করে কিনতে হয় না। মাসিক ৫০০ টাকা, বাৎসরিক ৫,০০০ টাকা বা এককালীন ২০,০০০ টাকা, যে প্যাকেজই নিন, সফটওয়্যারের সব কাজ আপনি পাবেন। প্রতিষ্ঠান ছোট বলে কম সুবিধা, এমন নিয়ম আমাদের নেই।
আমরা চাই কম খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পৌঁছুক। শুধু হার্ডওয়্যার (হাজিরা মেশিন, আইডি কার্ড), এসএমএস প্যাকেজ ও আলাদা ওয়েবসাইট এগুলো আলাদা খরচ, এবং সেগুলো দামের পেজে খোলাখুলি লেখা আছে।
- সব প্যাকেজে সব ফিচার
- ফিচারের জন্য আলাদা টাকা নেই
- আপডেট ও সাপোর্ট দামের ভেতরে
- অভিভাবক ও শিক্ষক অ্যাপ ফ্রি
- লুকানো খরচ নেই