অনলাইনে বেতন পরিশোধ

ছবক মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারে অভিভাবক ঘরে বসেই সন্তানের বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে পারেন। টাকা জমা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রসিদ তৈরি হয় এবং সেটি সাধারণ বেতনের রসিদ হিসেবেই হিসাবে বসে যায়, অফিসকে আলাদা করে কোনো এন্ট্রি দিতে হয় না।

এক নজরে

অনলাইনে বেতন পরিশোধে কী কী পাবেন, সংক্ষেপে।

  • ঘরে বসে পরিশোধ, যেকোনো সময়
  • কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং
  • রসিদ সঙ্গে সঙ্গে, হিসাবে নিজে থেকেই বসে
  • অফিসের কাজ বাড়ে না, আলাদা এন্ট্রি লাগে না
  • পূর্ণ রিপোর্ট, প্রিন্ট ও ডাউনলোডসহ
  • প্রতিষ্ঠানের নিজের SSLCommerz অ্যাকাউন্ট লাগে
শুরুতেই একটি কথা পরিষ্কার করে বলে রাখি। অনলাইন পেমেন্ট চালু করতে প্রতিষ্ঠানকে নিজে SSLCommerz এর সঙ্গে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় এবং সেই স্টোরের তথ্য সফটওয়্যারে বসাতে হয়। সফটওয়্যার কিনলেই সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন পেমেন্ট চালু হয়ে যায় না।

বেতন আদায়ে সবচেয়ে বেশি সময় কোথায় যায়?

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে মাসের শুরুর কয়েকটি দিন অফিসে ভিড় লেগেই থাকে। অভিভাবক কাজ ফেলে এসে লাইনে দাঁড়ান, অফিসের লোক রসিদ লেখেন, তারপর দিন শেষে সেই টাকা আবার মিলাতে হয়। যাঁরা দূরে থাকেন বা বাইরে কাজ করেন তাঁদের বেতন কয়েক মাস জমে যায়, তারপর বকেয়ার তালিকা লম্বা হতে থাকে।

অনলাইনে পরিশোধের সুযোগ থাকলে এই দুটি সমস্যাই কমে। অভিভাবক রাতেও টাকা দিতে পারেন, আর অফিসের কাজ বাড়ে না কারণ রসিদ ও হিসাব নিজে থেকেই তৈরি হয়ে যায়।

অনলাইন পেমেন্টে কী কী আছে?

বকেয়া মাস বেছে নেওয়া

অভিভাবক নিজের প্যানেলে বকেয়া মাসগুলোর তালিকা দেখেন এবং যেগুলো দিতে চান শুধু সেগুলো বেছে নেন। চাইলে সব বকেয়া একবারেই দেওয়া যায়।

তিন রকম মাধ্যম

কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে টাকা দেওয়া যায়। কোন কোন মাধ্যম চালু থাকবে তা প্রতিষ্ঠানের নিজের পেমেন্ট চুক্তির উপর নির্ভর করে।

সঙ্গে সঙ্গে রসিদ

টাকা দেওয়ার পর অভিভাবক সঙ্গে সঙ্গেই দেখেন কোন মাসগুলো পরিশোধ হলো আর রসিদ নম্বর কত। পেমেন্ট ব্যর্থ হলে সেটিও পরিষ্কার করে জানানো হয়।

সরাসরি হিসাবে যুক্ত

অনলাইনে দেওয়া টাকা সাধারণ বেতনের রসিদ হিসেবেই সংরক্ষিত হয়। বেতন তালিকা, বকেয়া, শিক্ষার্থীর খাতা ও তহবিলের হিসাব নিজে থেকেই হালনাগাদ হয়।

অনলাইন পেমেন্ট রিপোর্ট

গেটওয়ে দিয়ে যত বেতন এসেছে তার পূর্ণ তালিকা। তারিখ ও শ্রেণি ধরে ছেঁকে নেওয়া যায়, প্রিন্ট ও ডাউনলোডও করা যায়।

গেটওয়ে সেটিংস

প্রতিষ্ঠান নিজের স্টোরের তথ্য বসায়, পরীক্ষামূলক না সরাসরি তা ঠিক করে, টাকার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমা দেয় এবং কোন তহবিলে টাকা জমা হবে বেছে নেয়।

আংশিক পরিশোধ

প্রতিষ্ঠান চাইলে পুরো বকেয়ার চেয়ে কম টাকা দেওয়ার সুযোগ দিতে পারে। তখন টাকা আগে পুরনো মাসে বসে।

সন্দেহজনক পেমেন্ট যাচাই

কোনো পেমেন্ট সন্দেহজনক মনে হলে সেটি আটকে রাখা হয়, অফিস যাচাই করে অনুমোদন দিলে তবেই হিসাবে যুক্ত হয়।

অভিভাবকের দিক থেকে ধাপগুলো

  1. অভিভাবক নিজের প্যানেলে লগইন করেন।
  2. বকেয়া মাসের তালিকা দেখে যেগুলো দিতে চান বেছে নেন।
  3. নিরাপদ পেমেন্ট পাতায় গিয়ে কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে টাকা দেন।
  4. রসিদ তৈরি হয় এবং শিক্ষার্থীর খাতা ও তহবিলে তা বসে যায়।
  5. অফিস পরে অনলাইন পেমেন্ট রিপোর্টে সব লেনদেন এক তালিকায় দেখে নেয়।

হাতে আদায় আর অনলাইনে আদায়

বিষয় অফিসে এসে দেওয়া অনলাইনে
সময় অফিস খোলা থাকা লাগে যেকোনো সময়
রসিদ হাতে দেওয়া হয় সর্বদা প্যানেলে থাকে
অফিসের এন্ট্রি হাতে করতে হয় দরকার হয় না
দিন শেষে মিলানো নগদ গুনতে হয় রিপোর্টে তালিকা থাকে
দূরের অভিভাবক আসতে পারেন না ঘরে বসেই দেন

আপনার প্রতিষ্ঠানে চালু করতে চান?

কীভাবে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় এবং সফটওয়্যারে কী কী বসাতে হয়, ফোনেই ধাপে ধাপে বলে দেব।

চালু করার আগে যা জানা দরকার

  • প্রতিষ্ঠানের নিজের SSLCommerz মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট লাগবে।
  • মার্চেন্ট ব্যবস্থায় নিজস্ব সার্ভিস চার্জ থাকতে পারে, সেটি তাদের সঙ্গে ঠিক করতে হয়।
  • অভিভাবকের প্যানেল চালু থাকতে হবে এবং বকেয়ার তথ্য হালনাগাদ থাকতে হবে।
  • এটি প্যাকেজের ভেতরেই আছে, এর জন্য বাড়তি কোনো টাকা লাগে না।
  • এই মুহূর্তে অনলাইন পেমেন্ট ওয়েব সফটওয়্যারে আছে, মোবাইল অ্যাপে আসেনি।

সব ফিচার এক দামে, ফিচার অনুযায়ী আলাদা টাকা নেই

ছবকে কোনো ফিচার আলাদা করে কিনতে হয় না। মাসিক ৫০০ টাকা, বাৎসরিক ৫,০০০ টাকা বা এককালীন ২০,০০০ টাকা, যে প্যাকেজই নিন, সফটওয়্যারের সব কাজ আপনি পাবেন। প্রতিষ্ঠান ছোট বলে কম সুবিধা, এমন নিয়ম আমাদের নেই।

আমরা চাই কম খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পৌঁছুক। শুধু হার্ডওয়্যার (হাজিরা মেশিন, আইডি কার্ড), এসএমএস প্যাকেজ ও আলাদা ওয়েবসাইট এগুলো আলাদা খরচ, এবং সেগুলো দামের পেজে খোলাখুলি লেখা আছে।

  • সব প্যাকেজে সব ফিচার
  • ফিচারের জন্য আলাদা টাকা নেই
  • আপডেট ও সাপোর্ট দামের ভেতরে
  • অভিভাবক ও শিক্ষক অ্যাপ ফ্রি
  • লুকানো খরচ নেই

অনলাইনে বেতন পরিশোধ নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

সফটওয়্যার কিনলেই কি অনলাইন পেমেন্ট চালু হয়ে যায়?
না। প্রতিষ্ঠানকে নিজে SSLCommerz এর সঙ্গে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। সেই অ্যাকাউন্টের স্টোর তথ্য সফটওয়্যারে বসালে তবেই কাজ করবে।
টাকা কোথায় জমা হয়?
টাকা যায় প্রতিষ্ঠানের নিজের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে। ছবক শুধু লেনদেনটি রেকর্ড করে রসিদ তৈরি করে এবং প্রতিষ্ঠানের বেছে দেওয়া তহবিলে হিসাব বসায়।
অফিসকে কি আলাদা এন্ট্রি দিতে হয়?
দিতে হয় না। অনলাইনে দেওয়া টাকা সাধারণ বেতনের রসিদ হিসেবেই সংরক্ষিত হয়, তাই বকেয়া ও শিক্ষার্থীর খাতা নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়।
অভিভাবক কি অ্যাপ থেকে টাকা দিতে পারবেন?
এখন না। অনলাইন পেমেন্ট এই মুহূর্তে ওয়েবের অভিভাবক প্যানেলে আছে।
কেউ অর্ধেক টাকা দিতে চাইলে?
প্রতিষ্ঠান চাইলে আংশিক পরিশোধের সুযোগ দিতে পারে। সেই টাকা আগে সবচেয়ে পুরনো মাসের বকেয়ায় বসে।

English: Read about Sabaq madrasa management software in English

কল করুন হোয়াটসঅ্যাপ ফ্রি ডেমো