মাসিক চাঁদা আদায়ের খাতা ও রশিদ

মাসিক চাঁদা আদায়ের খাতা হলো একটি ছক, যেখানে প্রতিটি সারিতে একজন দাতা (নাম, মোবাইল, মাসিক চাঁদার পরিমাণ) এবং জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বারোটি কলামে প্রতি মাসের আদায় লেখা থাকে। ডান পাশে দাতার বছরের মোট আর নিচে প্রতি মাসের মোট আদায়। নিচে খাতার নমুনা আর মাসিক চাঁদা আদায়ের রশিদ দেওয়া হলো।

মাদ্রাসার মাসিক চাঁদা আদায়ের খাতার নমুনা, ১২ মাসের ছক (ফ্রি Word টেমপ্লেট)
ফ্রি ডাউনলোড (রেজিস্ট্রেশন লাগে না): মাসিক চাঁদা আদায়ের Word টেমপ্লেট (.docx), আড়াআড়ি পাতায়। দুটি পাতা: ১২ মাসের মাসিক চাঁদা আদায়ের খাতা (১৪ জন দাতা), এবং মাসিক চাঁদা আদায়ের রশিদ (এক পাতায় চারটি, কেটে নেওয়ার দাগসহ)। টেমপ্লেট ডাউনলোড করুন

খাতার কলামগুলো

কলাম কী লিখবেন
ক্রম দাতার ক্রমিক নম্বর
দাতার নাম ও মোবাইল যোগাযোগের জন্য
মাসিক চাঁদা প্রতি মাসে কত টাকা দেওয়ার কথা
জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর চাঁদা পেলে রশিদ নম্বর বা টাকার অঙ্ক
মোট বছরে মোট কত দিলেন
মোট আদায় (নিচের সারি) প্রতি মাসে সব দাতার কাছ থেকে মোট আদায়

রশিদে কী কী থাকে

মাসিক চাঁদা আদায়ের রশিদ

[মাদ্রাসার নাম]

রশিদ নং: ……..    তারিখ: ……..

দাতার নাম: ……..
ঠিকানা / মোবাইল: ……..
কোন মাসের চাঁদা: ……..
টাকার পরিমাণ: …….. (কথায়: …….. টাকা)
খাত: সাধারণ / লিল্লাহ / এতিম / নির্মাণ / অন্যান্য

দাতার স্বাক্ষর     আদায়কারীর স্বাক্ষর

মাসিক চাঁদা আদায়ের নিয়ম

  1. নিয়মিত দাতাদের তালিকা করুন: নাম, মোবাইল, মাসিক চাঁদার পরিমাণ ও খাত।
  2. এলাকা ভাগ করে আদায়কারী ঠিক করুন এবং প্রত্যেককে রশিদ বই দিন।
  3. প্রতি মাসে চাঁদা তুলে রশিদ দিন এবং খাতার সেই মাসের ঘরে লিখুন।
  4. মাস শেষে আদায়কারীর রশিদের মুড়ি আর জমা দেওয়া টাকা মিলিয়ে নিন।
  5. তিন মাস চাঁদা বাকি থাকলে দাতার সাথে ভদ্রভাবে যোগাযোগ করুন।
  6. বছর শেষে খাতার যোগফল মিলিয়ে দাতাদের ধন্যবাদ পত্র দিন।
একই রশিদ বই একাধিক আদায়কারী ব্যবহার করবেন না। কোন বই কার কাছে আছে তা লিখে রাখুন, আর বই শেষ হলে মুড়িসহ অফিসে জমা নিন।

চাঁদা আর রশিদের হিসাব সফটওয়্যারে

ছবক মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারে “মাসিক দাতা” তালিকায় প্রতিটি দাতা আর “মাসিক দাতা অনুদান” থেকে প্রতি মাসের চাঁদা রাখা যায়, রশিদসহ। “রশিদ ব্যবস্থাপনা” থেকে ছাপানো রশিদ বইয়ের মজুদ, কোন আদায়কারীকে কোন বই দেওয়া হলো আর পূরণ করা রশিদ ফেরত নেওয়ার হিসাব থাকে। “ইউজার অনুযায়ী কালেকশন রিপোর্ট” দেখায় কোন আদায়কারী কত তুলেছেন। বিস্তারিত হিসাব সফটওয়্যার পাতায়।

মাসিক চাঁদার খাতা আর রশিদের হিসাব এক জায়গায় রাখতে চান?

ছবক সফটওয়্যারে মাসিক দাতা, অনুদান, রশিদ বই আর আদায়কারীর হিসাব একসাথে। ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে জানালে ফ্রি ডেমো দেখিয়ে দিই।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

মাসিক চাঁদার খাতা আর রশিদ বই দুটোই কেন লাগে?
রশিদ দাতার হাতে যায়, টাকা পাওয়ার প্রমাণ হিসেবে। খাতা মাদ্রাসায় থাকে, যেখানে এক নজরে দেখা যায় কোন দাতার কোন মাসের চাঁদা বাকি। দুটো মিলিয়ে দেখলে হিসাবে গরমিল ধরা পড়ে।
খাতার মাসের ঘরে কী লিখব?
চাঁদা পেলে সেই মাসের ঘরে রশিদ নম্বর অথবা টাকার অঙ্ক লিখুন। খালি ঘর মানে সেই মাসের চাঁদা এখনো আসেনি।
একজন আদায়কারী কয়জন দাতার চাঁদা তুলবেন?
এলাকা ভাগ করে একেক আদায়কারীকে নির্দিষ্ট দাতার তালিকা দিন। প্রত্যেকের রশিদ বই আলাদা রাখুন, যাতে মাস শেষে কে কত তুললেন তা মেলানো যায়।
চাঁদার টাকা কোন খাতে জমা হবে?
দাতা যে খাতের জন্য দেন (সাধারণ, লিল্লাহ, এতিম, নির্মাণ) সেই খাতেই জমা করুন। রশিদে খাতের নাম লিখে রাখলে পরে ভুল হয় না।
বছর শেষে কী করব?
প্রতিটি দাতার সারির ডান পাশে বছরের মোট লিখুন এবং নিচের সারিতে প্রতি মাসের মোট আদায় যোগ করুন। দুই দিকের যোগফল মিললে খাতা ঠিক আছে। নিয়মিত দাতাদের বছর শেষে একটি ধন্যবাদ পত্র দিন।

মাত্র মাসিক ৫০০ টাকায় ব্যবহার করুন মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

আমাদের আর্টিকেল শেয়ার করুন
Facebook
WhatsApp

মাত্র মাসিক ৫০০ টাকায় ব্যবহার করুন মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

English: Read about Sabaq madrasa management software in English

কল করুন হোয়াটসঅ্যাপ ফ্রি ডেমো