ছবক সফটওয়্যারে নতুন কী যোগ হয়েছে

ছবক মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারে নিয়মিত নতুন কাজ যোগ হয়। সবশেষ হালনাগাদে কী কী এসেছে তা এই পাতায় সহজ বাংলায় লেখা আছে, যাতে আপনার প্রতিষ্ঠানে কোনটি কাজে লাগবে তা দেখে নিতে পারেন।

এক নজরে

সবচেয়ে বড় ছয়টি সংযোজন।

  • দৈনিক পাঠ মূল্যায়ন, প্রতিদিনের পড়ার হিসাব
  • অনলাইনে বেতন পরিশোধ, অভিভাবক ঘরে বসেই
  • অ্যাপে পুশ নোটিফিকেশন, এসএমএস খরচ ছাড়াই
  • থার্মাল প্রিন্টারে রসিদ, ৮০ ও ৫৮ মিমি
  • একই এসএমএস দুবার যাওয়া বন্ধ, খরচ কমে
  • শিক্ষক অনুযায়ী বিষয় নির্ধারণ, ভুল কমে

দুটি সম্পূর্ণ নতুন অংশ

দৈনিক পাঠ মূল্যায়ন

প্রতিদিন কে পড়া পেরেছে আর কে পারেনি, শিক্ষক তারিখের ঘরে চাপ দিয়ে ভালো, মধ্যম, দুর্বল বা অনুপস্থিত দিয়ে দেন। মাসের ও বছরের হিসাব নিজে থেকেই তৈরি হয়, অভিভাবক নিজের প্যানেলে দেখেন, আর চালু রাখলে প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে মোবাইলে বার্তা চলে যায়।

মাদ্রাসার জন্য এবারের সবচেয়ে কাজের সংযোজন। এখন ওয়েব সফটওয়্যারে আছে।

অনলাইনে বেতন পরিশোধ

অভিভাবক নিজের প্যানেলে বকেয়া মাস বেছে নিয়ে কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে টাকা দেন। রসিদ সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয় এবং সাধারণ বেতনের রসিদ হিসেবেই হিসাবে বসে যায়, অফিসকে আলাদা এন্ট্রি দিতে হয় না।

চালু করতে প্রতিষ্ঠানের নিজের SSLCommerz মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট লাগে। এখন ওয়েব সফটওয়্যারে আছে।

নতুন সব কিছু পুরনো গ্রাহকরাও পান, বাড়তি টাকা লাগে না

হালনাগাদ হলে সব প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে পৌঁছে যায়। নতুন ফিচারের জন্য আলাদা টাকা দিতে হয় না, নতুন করে ইনস্টলও করতে হয় না। যিনি তিন বছর আগে নিয়েছেন আর যিনি গতকাল নিয়েছেন, দুজনেই একই সফটওয়্যার পান।

  • হালনাগাদ সবার জন্য
  • ফিচারের জন্য আলাদা টাকা নেই
  • নতুন করে ইনস্টল লাগে না
  • পুরনো তথ্য অক্ষত থাকে

মোবাইল অ্যাপে নতুন

অ্যাপের বর্তমান সংস্করণ ২.৩.৬। বিস্তারিত ছবক অ্যাপ পেজে।

পুশ নোটিফিকেশন

হাজিরা নেওয়া, বেতন জমা হওয়া, নতুন ফলাফল, নতুন নোটিশ, ছুটির আবেদনের সিদ্ধান্ত ও পরামর্শের জবাব, এই ছয় রকম ঘটনায় অভিভাবকের ফোনে সঙ্গে সঙ্গে বার্তা যায়। এতে অভিভাবকের কোনো এসএমএস খরচ হয় না।

নোটিফিকেশন ইনবক্স

আসা সব বার্তা অ্যাপের ভেতরেই জমা থাকে। কতগুলো এখনো পড়া হয়নি তা দেখা যায়, এক চাপে সব পড়া হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

বার্তায় চাপ দিলেই সংশ্লিষ্ট পাতা

হাজিরার বার্তায় চাপ দিলে হাজিরা, বেতনের বার্তায় বেতন। একাধিক সন্তান থাকলে যে সন্তানের বার্তা সে নিজেই নির্বাচিত হয়ে যায়।

অ্যাপ নিজেই হালনাগাদ হয়

নতুন সংস্করণ এলে অ্যাপ খোলার সময়ই আপডেটের সুযোগ আসে, এক চাপে হালনাগাদ হয়ে যায়।

রসিদ, বেতন ও হিসাবে নতুন

থার্মাল প্রিন্টারে রসিদ

বেতনের রসিদ এখন ছোট থার্মাল প্রিন্টারেও ছাপানো যায়, ৮০ মিমি ও ৫৮ মিমি দুই মাপে। একবার ঠিক করে দিলেই সব রসিদ সেই মাপে বের হয়, প্রতিবার বেছে নিতে হয় না। বড় কাগজের রসিদও আগের মতো আছে।

শিক্ষক বেতন বিবরণী প্রিন্ট

পর্দায় যে মাস ও শিক্ষক বেছে নেওয়া আছে, সেই অনুযায়ীই পুরো বেতনের বিবরণী এক পাতায় প্রিন্ট করা যায়। সময়কাল, সর্বমোট টাকা এবং প্রস্তুতকারী, যাচাইকারী ও অনুমোদনকারীর স্বাক্ষরের ঘরসহ।

বাজারের মেমোর ছবি

বোর্ডিংয়ের বাজার লেখার সময় কাগজের মেমো বা রসিদের ছবি তুলে সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যায়। মোবাইলে তোলা ছবি যত বড়ই হোক, সফটওয়্যার নিজেই ছোট করে রাখে। পরে হিসাব মেলাতে কাগজ খুঁজতে হয় না।

পরীক্ষা ও ফলাফলে নতুন

  • পরীক্ষার রুটিনে শেষের সময়: প্রতিটি বিষয়ের শুরু ও শেষের সময় থাকে। শুরুর সময়ের পাশে সময়কাল লিখলে শেষের সময় নিজে থেকেই বসে যায়। রুটিন, প্রিন্ট ও এডমিট কার্ড সব জায়গায় দেখা যায়।
  • পুরো শ্রেণি ধরে মেধাস্থান: শাখা আলাদা করে ফলাফল দেখলেও মেধাস্থান পুরো শ্রেণির সবার সঙ্গে তুলনা করে হিসাব করা যায়। না চাইলে আগের মতো শাখার ভেতরেই হয়।

নিয়ন্ত্রণ ও সেটিংসে নতুন

  • শিক্ষক অনুযায়ী বিষয় নির্ধারণ: কোন শিক্ষক কোন শ্রেণিতে কোন বিষয় পড়ান ঠিক করে দেওয়া যায়। শিক্ষক লগইন করলে শুধু নিজের বিষয়গুলোই দেখেন। (ওয়েবে)
  • ইউজার ভিত্তিক অনুমতি: আগে অনুমতি হতো শুধু পদ অনুযায়ী। এখন একজন নির্দিষ্ট কর্মীর জন্য আলাদা অনুমতি ঠিক করা যায়। (ওয়েবে)
  • একই এসএমএস দুবার যাওয়া বন্ধ: বকেয়া বা ফলাফলের এসএমএস কাকে পাঠানো হয়েছে সফটওয়্যার মনে রাখে। অভিভাবক বিরক্ত হন না, এসএমএসের খরচও বাড়ে না।
  • ছুটির আবেদনের আনুষ্ঠানিক প্রিন্ট: প্রিন্ট করলে লেটারহেড, স্মারক নম্বর, অনুমোদিত না অপেক্ষমাণ না প্রত্যাখ্যাত তার সীল এবং তিনটি স্বাক্ষরের ঘরসহ এক পাতার কপি বের হয়।
  • ক্লাস ও ফি চালু বা বন্ধ: কোনো ক্লাস বা ফি আপাতত দরকার না হলে মুছে না ফেলে বন্ধ করে রাখা যায়। পুরনো শিক্ষার্থী ও পুরনো হিসাব আগের মতোই ঠিক থাকে।
  • শিক্ষকের লগইন চালু বা বন্ধ: শিক্ষক যোগ করার সময়ই ঠিক করা যায় তিনি সফটওয়্যারে ঢুকতে পারবেন কি না। চালু করলে তাঁর মোবাইল নম্বরই আইডি হয়।
সফটওয়্যারের ভেতরে চেঞ্জলগ নামে একটি পাতা আছে, যেখানে কোন সংস্করণে কী যোগ হয়েছে ও কী ঠিক করা হয়েছে তা সহজ বাংলায় লেখা আছে। আপনি নিজের প্যানেল থেকেই সেটি পড়তে পারেন।

কোনটি আপনার প্রতিষ্ঠানে কাজে লাগবে?

আপনার প্রতিষ্ঠানের ধরন বলুন, কোন নতুন অংশগুলো আপনার কাজে লাগবে ডেমোতে দেখিয়ে দেব।

হালনাগাদ নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

নতুন ফিচারের জন্য কি বাড়তি টাকা দিতে হয়?
না। হালনাগাদ সব প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে পৌঁছে যায় এবং প্যাকেজের ভেতরেই থাকে।
হালনাগাদের জন্য কি কাজ বন্ধ রাখতে হয়?
সফটওয়্যার সার্ভারে চলে, তাই নতুন করে ইনস্টল করতে হয় না। মোবাইল অ্যাপে নতুন সংস্করণ এলে অ্যাপ খোলার সময়ই এক চাপে হালনাগাদ হয়ে যায়।
পুরনো তথ্য কি নষ্ট হয়?
হয় না। নতুন অংশ যুক্ত হলেও আগের শিক্ষার্থী, হিসাব ও রিপোর্ট আগের মতোই থাকে।
দৈনিক পাঠ মূল্যায়ন ও অনলাইন পেমেন্ট কি অ্যাপেও আছে?
এখন নেই। এই দুটি ওয়েব সফটওয়্যারে আছে। অভিভাবক ওয়েবের প্যানেলে ঢুকে দেখতে পান।
কল করুন হোয়াটসঅ্যাপ ফ্রি ডেমো